তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেড সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরেছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, হিসাব ও ব্যয় ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার কারণে আলোচ্য প্রান্তিকে মুনাফা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ন্যাশনাল ফিডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১৮ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ন্যাশনাল ফিডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৪৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল ফিডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল ফিডের ইপিএস হয়েছে ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৭৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল ফিডের ইপিএস হয়েছে ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৭৫ পয়সায়।
ন্যাশনাল ফিড মিলের সর্বশেষ ঋণমাণ দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল বি মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ফোর’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।
২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ফিডের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৩ কোটি ৩৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৩৩ লাখ ৬১ হাজার ৩২৪। এর ৩০ দশমিক ৪০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৯ দশমিক ৩৪, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ১১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬০ দশমিক ১৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।